লিট বাংলা ডট টেক, প্রযুক্তির হাতেখড়ি হোক বাংলাতেই।

হ্যাকিং / সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক বাংলা প্রযুক্তির ব্লগ

Showing posts with label হ্যাকিং. Show all posts
Showing posts with label হ্যাকিং. Show all posts

ইন্টারনেটের মাধ্যমে পুরো বিশ্ব এখন আমাদের সবার হাতে। ব্যক্তিগত কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনেই হোক, ইন্টারনেটের নিয়মিত ব্যবহারে আমরা অনেকেই এতে প্রায় দক্ষতা অর্জন করেছি।  ডিজিটাল বিশ্বের সকল উন্নত রাষ্ট্র যখন তাদের চাহিদা এবং গুরুত্বের দিক থেকে সাইবার সিকিউরিটিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছে আমরা তখনো বিষয়টা নিয়ে উদাসীন। যার ফলপ্রসুত সকলে কমবেশি প্রতিনিয়তই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি । ব্যাক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানিক পর্যায়েই হোক না কেনো,  এখন Cyber Security মানুষের অন্যতম চাহিদা হয়ে দাড়াচ্ছে।  

সাইবার সিকিউরিটির এই আলোচনায় আমরা তিন ধরনের প্রশ্ন দিয়ে আলোচনা করবো। প্রশ্ন গুলো হচ্ছে - কি ? কেন ? এবং কিভাবে? 

সাইবার সিকিউরিটি (Cyber Security) কি?

সাইবার সিকিউরিটি অনেক বিশাল পরিধির একটি  বিষয়। সংক্ষিপ্ত ভাষায় যদি বলা হয় তাহলে ইন্টারনেটে হ্যাকিং বা ম্যালওয়ার অ্যাটাক থেকে নিজে কিংবা নিজের সিস্টেম বাচতে যেসব ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং ওয়েবসাইট, নেটওয়ার্ক, এপ্লিকেশন ছাড়াও নিজেদের ব্যাবহৃত ইলেক্ট্রিক ডিভাইস গুলোতে সাইবার আক্রমন প্রতিহত করার পদ্ধতি সবই সাইবার সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত।   

হ্যাকিং শব্দটি যেহেতু এসেই পড়লো এ নিয়ে কিছু কথা হয়ে যাক , যারা হ্যাকিং করে তাদের বলা হয় হ্যাকার । অনেকেরই ধারনা হ্যাকাররা মেধাবী বা কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষ কিন্তু তারা অসৎ। কিন্তু আমাদের সচরাচর এই ধারণাটা সম্পূর্ণ ভূল। কারণ সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে যারা কাজ করে তারাও কিন্তু হ্যাকার, অন্যান্য হ্যাকার থেকে তাদের প্রধান পার্থক্যই হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা তাদের মেধা ও কম্পিউটার পরিচালনার দক্ষতা ভাল এবং প্রফেশনাল কাজে ব্যয় করে। যার ফলে স্বপ্নীল এই হ্যাকিং জগতে তারা ক্যারিয়ার গঠনের পাশাপাশি তাদের জ্ঞানকে সকলের উপকারে ব্যাবহার করতে পারে। 


সাইবার সিকিউরিটি (Cyber Security)জানা কেনো  প্রয়োজন?

বর্তমানের সব কিছুই প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়েছে। সে সাথে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে যাওয়ার জন্য সেটি হয়ে গেছে ইন্টারনেট নির্ভরও। আমাদের ব্যাক্তিজীবন থেকে কর্মজীবন সবই এখন ইন্টারনেট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এর জন্য সকলেরই সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। বর্তমান বিশ্বের বড়ো সব প্রতারনা বা স্ক্যাম গুলোও হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে । সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে কম জ্ঞানের কারনে মানুষ খুব সহজেই প্রতারনার শিকার হচ্ছে। সেগুলো থেকে নিজে এবং নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত করার জন্যও আমাদের সকলের কম বেশি সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। 

এছাড়াও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে সাইবার সিকিউরিটি হতে পারে ক্যারিয়ার গঠনের বড় একটি সুযোগ।  বর্তমানে বড় বড় সকল প্রতিষ্ঠানই অনলাইনে তাদের কার্যক্রম নিরাপদে রাখার জন্য সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিচ্ছে। শুধুই কি কোন প্রতিষ্ঠান? তা কিন্তু নয়।  প্রায় সকল দেশ তাদের নিজস্ব নিরাপত্তায় সরকারী ভাবে সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট নিয়োগ দিচ্ছে। এমন কার্যক্রম আমাদের দেশেও হচ্ছে। ইথিক্যাল হ্যাকিং এখন ফ্রীল্যান্সিং এর একটি জনপ্রিয় বিষয়ও হয়ে উঠছে। সাইবার নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হওয়ায় আইটির যে কোন চাকুরিতেই আপনার এই জ্ঞান থাকাটা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। সাইবার সিকিউরিটি , বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা সিস্টেমের নিরাপত্তা দুর্বলতা নির্ণয় করে সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টরা পাচ্ছেন বড় পুরুষ্কার । ক্যারিয়ার হিসেবে তাই সাইবার সিকিউরিটি হতে পারে আপনার মতো একজন আইটি প্রিয় মানুষের জন্য প্রথম পছন্দের বিষয়।  

সাইবার সিকিউরিটি কোর্স, এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি

কিভাবে শিখবেন সাইবার সিকিউরিটি (Cyber Security) ?

সরাসরি সাইবার সিকিউরিটি বিষয়টি আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে না থাকায় ,আপনি  বেসরকারী কোন প্রতিষ্ঠান থেকে সাইবার সিকিউরিটির কোর্স করতে পারেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম  ফোর্বসের একটি আর্টিকেলে ১৩টি উচ্চ বেতনের চাকরির কথা বলা হয়েছে, যেগুলোতে কোনো ধরনের ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। এর মধ্যে সাইবার সিকিউরিটি অন্যতম। শুধুমাত্র দক্ষতা দিয়েই এই পথে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। 

আপনি  নিজেই এই সম্পর্কে ধারনা পেতে গুগল এবং ইউটিউবের সাহায্য নিতে পারেন,ইংরেজি সহ বিভিন্ন ভাষায় সেখানে অসংখ্য রিসোর্স পাওয়া যাবে। প্রয়োজন শুধু ধৈর্য্য ও অনুশীলন। আপনি বাংলায় সাজানো রিসোর্স পেতে চাইলে সাইবার ৭১ এর Learn with Cyber 71 ( লিঙ্কঃ  https://www.youtube.com/c/LearnwithCyber71 ) এই ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন। বাংলাতে এখানে সাইবার সিকিউরিটি, ইথিক্যাল হ্যাকিং শীর্ষক কয়েকটি ডেমো ক্লাস রয়েছে।  বিদেশি কিছু প্রতিষ্ঠান পরীক্ষার মাধ্যমে সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট হিসেবে সনদ প্রদান  করে। আপনি  CEH, CISM, CISSP, CISA  সার্টিফিকেশন গুলোকে আপনার পছন্দের তালিকায় রাখতে পারেন।  তবে এসব প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা দেয়ার আগে আপনাকে অবশ্যই প্রফেশনালই সাইবার সিকিউরিটি শিখতে হবে । দেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ সেন্টার এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি  হতে পারে আপনার প্রধান পছন্দ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর যোগ করে কোর্সটিকে সাজানো হয়েছে যার ফলে আপনি ইথিক্যাল হ্যাকিং এর উপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করে নিতে পারেন। ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির কোর্স করাটি হতে পারে আপনার জন্য একটি সুন্দর এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।  


কেন এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির কোর্স করবেন?

সম্পূর্ন অনলাইন ল্যাব ভিত্তিক কোর্স এবং মিড এক্সামের সুবিধা।  তাই চাকুরীজীবী কিংবা ছাত্র, যেকোন পেশার মানুষই অনলাইন থেকে নিজস্ব সার্ভারের মাধ্যমে ক্লাসে যোগদান করতে পারবে।

দেশসেরা কয়েকজন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রশিক্ষণ এবং তাদের তত্বাবধানে ইন্টার্ন হিসেবে মার্কেটপ্লেসে প্র্যাক্টিস এর সুযোগ। একদম ব্যাসিক থেকে শুরু হওয়ায় কোর্স করার পূর্বে প্রোগ্রামিং সংক্রান্ত জ্ঞান না থাকলেও চিন্তা নেই। যেকোন বয়স বা যেকোন পেশার মানুষের উপযোগী করেই তৈরী করা হয়েছে কোর্স আউটলাইন। পরীক্ষা পরবর্তী অনলাইন ভেরিফাই প্রসেসের মাধ্যমে সার্টিফিকেশন প্রদান করা হয় যার ফলে সাইবার সিকিউরিটির সার্টিফিকেশন আপনি বিশ্বব্যাপি যে কোন প্রতিষ্ঠানেই ব্যাবহার করতে পারছেন। 

কোর্স সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানুন এখান থেকে, ইথিক্যাল হ্যাকিং - সাইবার সিকিউরিটি কোর্স

মানবদেহে কোষের উপর ভাইরাসের প্রভাব খতিয়ে দেখা এবং চিকিৎসার বিষয়ে দিকনির্দেশ করতে পারে সুপার কম্পিউটার।
ইউরোপে করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চালানো কয়েকটি সুপার কম্পিউটার হ্যাক করা হয়েছে। এমনই জানানো হয়েছে কয়েকটি ল্যাবরেটরির পক্ষ থেকে। সুইৎজারল্যান্ড, জার্মানি ও ব্রিটেনের ল্যাবরেটরিগুলির সুপার কম্পিউটার হ্যাক করা হয়েছে। হ্যাক হওয়ার ফলে কয়েকটি কম্পিউটার নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে। কারা হ্যাক করেছে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

সুপার কম্পিউটার হ্যাক
করোনা নিয়ে গবেষণায় সাহায্য করছে সুপার কম্পিউটার। মানবদেহে কোষের উপর ভাইরাসের প্রভাব খতিয়ে দেখা এবং চিকিৎসার বিষয়ে দিকনির্দেশ করতে পারে সুপার কম্পিউটার। কিন্তু হ্যাকিংয়ের ফলে সেই গবেষণা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ল্যাবগুলির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হ্যাকিংয়ের ফলে সুপার কম্পিউটারগুলির লগইন পোর্টালই শুধু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোনও যন্ত্রাংশের ক্ষতি হয়নি। এ বিষয়ে একটি ল্যাবের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মী জানিয়েছেন,  ‘এর অর্থ, হ্যাকাররা গবেষণা সংক্রান্ত নথি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল বা গবেষণায় বাধা দিতে চাইছিল।’

সুইস ন্যাশনাল সুপার কম্পিউটিং সেন্টারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘সাইবার হামলার মুখে পড়েছে বেশ কয়েকটি ইউরোপিয়ান (হাই পারফরম্যান্স কম্পিউটিং) ও অ্যাকাডেমিক কম্পিউটার সাইট। আমাদের সিস্টেম ইঞ্জিনিয়াররা সুপার কম্পিউটারগুলি ফের সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’

ইউকে ন্যাশনাল সুপার কম্পিউটিং সার্ভিসের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, সাইবার হানায় গবেষণা ব্যাহত হচ্ছে। এখনও সিস্টেম ঠিক করা সম্ভব হয়নি।

এ মাসের ১৩ তারিখ ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন ও ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির পক্ষ থেকে সতর্কবার্তায় বলা হয়, চিনের হ্যাকাররা সাইবার হামলা চালাতে পারে। সেই আশঙ্কাকে সত্যি প্রমাণ করে হামলা চালাল হ্যাকাররা। তবে চিনের হ্যাকাররাই হামলা চালিয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।
ইথিক্যাল হ্যাকিং কিংবা সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে আগ্রহীরা আগামী ৭ মার্চ, ২০২০ শনিবারে আয়োজিত ইথিক্যাল হ্যাকিং কনফারেন্সে যোগদান করতে পারবেন। Speaker হিসেবে উপস্থিত থাকছেন "সাইবার ৭১" এর প্রতিষ্ঠাতা সহ এরিনা ওয়েব টেকনোলোজির সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা।



কনফারেন্সের বিষয় সমূহঃ
☑ হ্যাকারদের নিয়ে বিস্তারিত তথ্যাবলী।
☑ কিভাবে ব্রুট ফোর্স আক্রমন হয়ে থাকে।
☑ আইপি ক্যামেরা, ওয়াই ফাই নেটওয়ার্ক নিয়ে তথ্যাবলী।
☑ মোবাইল ম্যালওয়ার। অসতর্ক হলে হ্যাকার আপনার মোবাইলকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
☑ কিভাবে হ্যাকার আপনার ব্যাক্তিগত তথ্যাদি হাতিয়ে নিতে পারবে।
☑ ফেসবুক একাউন্ট যে সকল ভূলের কারণে হ্যাক হয়ে থাকে।
☑ কিভাবে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টের নিরাপত্তা প্রদান করবো।
☑ ফেসবুক আইডিতে সমস্যা হলে যে পদ্ধতিতে সমাধান করা যায়।
☑ ইথিক্যাল হ্যাকাররা কিভাবে আয় করে থাকে। কোন কোন প্লাটফর্মে তারা কাজ করে থাকে। তাদের কাজের ধরণ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত।
☑ কিভাবে আপনি সাইবার নিরাপত্তা এবং ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে পারবেন।

এছাড়াও রয়েছে ১৫ মিনিট প্রশ্নোত্তর পর্ব, যার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রশ্ন গুলোর উত্তর জেনে নিতে পারবেন।
আসন সংখ্যাঃ ৫৫ টি।
তারিখঃ ৭ মার্চ ২০২০ [ শনিবার ]
সময়ঃ বিকেল ৪ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত।
ঠিকানাঃ এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি
বি/১, প্রধান সড়ক, বনশ্রী, ঢাকা।
গুগল ম্যাপঃ Arena Web Security

আগ্রহীদের অবশ্যই প্রি রেজিস্ট্রেশন করে আসতে হবে। বিস্তারিত শর্তাবলী রেজিস্ট্রেশন ফর্মেই উল্লেখ করা রয়েছে।
রেজিস্ট্রেশন লিংকঃ   Ethical Hacking Conference, Dhaka

মার্কিনিদের গুপ্তহত্যার শিকার আল-কুদস ফোর্সের প্রধান ও বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার ঘটনায় কঠিন প্রতিশোধ নেয়ার হুঙ্কার দিয়েছে ইরান। উত্তেজনার মাঝেই শুরু হয়ে গেছে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার যুদ্ধ।  

"ইরান সাইবার সিকিউরিটি গ্রুপ হ্যাকার্স" ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ডিপোজিটরি লাইব্রেরি প্রোগ্রামের সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। ওয়াশিংটন ডিপার্টমেন্টের আরেকটি সরকারি ওয়েবসাইট ও ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছে। 

স্বাভাবিক ভাবেই হ্যাকাররা ওয়েবসাইটের সকল তথ্য মুছে দিয়ে  মার্কিন হামলায় নিহত ইরানের শীর্ষ সেনা কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধের শপথ করে এক বার্তা প্রকাশ করেছে। রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্র্যাম্পকে ব্যাঙ্গ করা একটি ছবিও। 
এছাড়াও ইরানের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনী ও ইরানের পতাকার ছবি ওয়েবসাইটের ডিসপ্লেতে আপলোড করা হয়।

ইরানিয়ান হ্যাকার গ্রুপ পরিচিতিঃ 
সাইবার জগতে ইরানিয়ান হ্যাকারদের বেশ পরিচিতি রয়েছে। ২০১০ সাল থেকেই বেশ কিছু ইরানিয়ান হ্যাকার গ্রুপ হ্যাকিং কমিউনিটিতে দাপটের সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এর মধ্যে ইরানিয়ান সাইবার আর্মি, পার্সিয়ান হ্যাকার গ্রুপ, শিল্ড ইরান, আসিয়ানে ডিজিটাল সিকিউরিটি টিম অন্যতম। নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া ইরানিয়ান সাইবার আর্মির সদস্যদের সাথে বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানের হ্যাকারদের সাথে বেশ সখ্যতা ছিলো। তবে সম্প্রতি গত তিন বছর সময়ে ফসফরাস, যার আরেক নাম ‘এপিটি ৩৫’ হ্যাকার টিমটি আন্তর্জাতিক ভাবে ইরানের হয়ে হ্যাকিং কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে। 


আমেরিকান হ্যাকার গ্রুপ পরিচিতিঃ 
বলা হয়ে থাকে ইন্টারনেটের দুই তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই আছে। তাই সরকারি ভাবে আমেরিকা ইন্টারনেট জগতে অনেক শক্তিশালী। সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেন ফাঁস করে দিয়েছেন যে প্রিজম কর্মসূচির আওতায় ফেসবুক, গুগল, মাইক্রোসফট, ইয়াহু, ইউটিউব এবং অ্যাপলসহ বিভিন্ন ইন্টারনেট জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানকে না জানিয়েই তাদের সার্ভারে সরাসরি প্রবেশ করে তথ্য সংগ্রহ করে আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (এনএসআই) ও ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। তাই রাষ্ট্রীয় ভাবে আমেরিকা হ্যাকিং দিকেও অনেক শক্তিশালী, তবুও কিছু হ্যাকার গ্রুপ স্বতন্ত্র ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর মধ্যে ডিসি লিকস, হংকার ইউনিয়ন, এনন কোড, লাজারুস অন্যতম।

বর্তমান সাইবার যুদ্ধের অবস্থাঃ 
ইতিমধ্যেই ইরান সাইবার সিকিউরিটি গ্রুপ হ্যাকার্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ডিপোজিটরি লাইব্রেরি প্রোগ্রামের সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। ওয়েবসাইটটি এখনো অচল অবস্থায় আছে। লিংকঃ fdlp.gov
মোসলেম নামক একটি হ্যাকার দল ওয়াশিংটন ডিসি অফিসের সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ৬ টি পৃথক সরকারি দপ্তরে হামলা চালিয়েছে। শিল্ড ইরান নামের একটি হ্যাকার দল ও এই সাইবার যুদ্ধে অংশ নিয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্র সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। সেই সাথে ব্যাংক অফ আমেরিকার একটি ব্লগ পোর্টাল সহ আরো কিছু ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে শিল্ড ইরান।
উল্লেখ্য, এখনো পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের হ্যাকারদের থেকে পাল্টা কোন আক্রমনের খবর পাওয়া যায় নি।

ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার যুদ্ধের সূচনা এবং ইতিহাসঃ 
ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র কয়েকবার সাইবার যুদ্ধে একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়েছিলো। ২০১০ এর জুন মাসে ইরানের নিউক্লিয়ার গবেষণাগারে সাইবার এট্যাক চালানো হয়। ভাইরাসের নাম ছিলো 'স্টাক্সনেট'। এট্যাকটটি চালানো হয়েছিলো আমেরিকা এবং ইসারাইল এর যৌথ উদ্যোগে। সেই সময়ে স্টাক্সনেট প্রায় ১০০০ নিউক্লিয়ার সেন্ট্রিফিউজ নষ্ট করে দেয়। আরেকটি রিপোর্টের মতে, ইরানের প্রায় ৬০ হাজার কম্পিউটার এই স্টাক্সনেট ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়। 
২০১২ সালে একটি রিপোর্টে বলা হয় ইরানের গভর্নমেন্ট দ্বারা আমেরিকা-ইসরাইল এর ব্যাংক এ সাইবার এট্যাক চালানো হয়। আর এটাকেই বলা হয় ইরান আমেরিকার সাইবার যুদ্ধের সূচনা।
সর্বশেষ ২০১৯ সালের জুন মাসে ইরান এক হামলায় ২৪০ মিলিয়ন ডলারের আমেরিকান ড্রোন ভুপাতিত করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকা ইরানিয়ান মিসাইল নিয়ন্ত্রণ করার সামরিক কম্পিউটার সিস্টেমে সাইবার আক্রমন পরিচালনা করে।

ইরানিয়ান হ্যাকারদের সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপঃ 
আল-কুদস ফোর্সের প্রধান ও বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার ঘটনার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে ইরানিয়ান হ্যাকারদের কিছু কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়েছিলো। ২০১৯ সালের অগাস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩০ দিনে ইরানিয়ান হ্যাকার গ্রুপ ফসফরাস দুই হাজার সাতশত বার বিভিন্ন ইমেইল অ্যাকাউন্টের পরিচয় জানার চেষ্টা চালিয়েছে। এরপর দলটি ২৪১টি ইমেইল অ্যাকাউন্টের উপর আক্রমণ চালায়।
“এসব অ্যাকাউন্টধারীর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা সংশ্লিষ্ট লোকজন, সাবেক ও কর্মরত মার্কিন সরকারী কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিষয়ে কাজ করেন এমন সাংবাদিক এবং প্রভাবশালী প্রবাসী ইরানী ব্যক্তি”
বলা যেতেই পারে ইরানিয়ান হ্যাকারদের পরবর্তী পদক্ষেপ থাকবে মার্কিন নির্বাচনকে ঘিরেই।

যুক্তরাষ্ট্রের হ্যাকারদের সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপঃ 
রাশিয়া এবং ইরানিয়ান হ্যাকারদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক না থাকলেও বর্তমান যুদ্ধের বিষয়টি আন্তর্জাতিক একটি ইস্যু হওয়ার কারনে ইরানের সাথে রাশিয়ান এবং চাইনিজ হ্যাকাররা যোগ দিতে পারে। রাষ্ট্রীয় ভাবে নির্বাচন এবং আন্তর্জাতিক অনেক বিষয় জড়িত থাকার দরুণ সরকারি কিংবা বেসরকারি ভাবে আমেরিকার পক্ষ থেকে পাল্টা সাইবার আক্রমন হওয়ার সম্ভাবনা অনেক ক্ষীণ। 

সম্ভাব্য ফলাফলঃ 
যেহেতু সাইবার যুদ্ধটা শুরু হয়েছে জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার ঘটনায় তাই যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে ইরানকে বিষয়টা নিয়ে সমাধান করতে পারে তার উপর সাইবার যুদ্ধের ফলাফল নির্ভর করছে। তবে ভুক্তভোগী দেশ হিসেবে সাইবার যুদ্ধ শুরু করা ইরান চলমান সাইবার আক্রমনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এগিয়ে থাকবে।

নিহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশের হ্যাকারদের সাইবার যুদ্ধের ইতিহাসঃ 
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া টপকানোর সময় ভারতীয় সীমান্ত-রক্ষীদের গুলিতে বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানি খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় ২০১১ সালে বাংলাদেশের হ্যাকাররা ভারতের বিপক্ষে সাইবার যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলো। উক্ত সাইবার যুদ্ধে ভারতীয় ৩০ হাজারেরও অধিক ওয়েবসাইট আক্রমনের শিকার হয়েছিলো।

আপনিও হতে পারেন একজন দক্ষ হ্যাকার এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ!
আপনি নিশ্চিত ভাবেই জানেন যে, বর্তমান বিশ্বে সাইবার সিকিউরিটি সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শুধু বাংলাদেশ নয়, সরকারী বেসরকারী ভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়োগ চলছে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের। অনলাইন মার্কেট প্লেস কিংবা অনলাইন চাকুরি (Remote Job) এর ক্ষেত্রেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। 
সাইবার নিরাপত্তার উপর ফ্রিল্যান্সিং করে হয়ে উঠছে স্বাবলম্বী। বর্তমান এই ডিজিটাল বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তা ও অপরিহার্য।

ক্যারিয়ার:
✅ ইথিক্যাল হ্যাকার | ✅ সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট | ✅ আইটি ইঞ্জিনিয়ার
✅ ডিজিটাল ফরেনসিক এক্সপার্ট | ✅ SOC এক্সপার্ট | ✅ সাইবার থ্রেট হান্টার
✅ আন্তর্জাতিক মানের ফ্রিল্যান্সার

আর সেই প্রয়োজন থেকেই সাইবার সিকিউরিটি, ইথিক্যাল হ্যাকিং, লিনাক্স ও ফ্রিল্যান্সিং শিখতে আগ্রহীদের জন্য বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান Arena Web Security দেশসেরা সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের তত্বাবধায়নে পরিচালনা করছে পূর্ণাঙ্গ প্রফেশনাল কোর্স।


🔰 তিন মাসের কোর্স + এক মাসের ইন্টার্নশিপ সুবিধাসহ
যেখানে রয়েছে:
✅ সাইবার সিকিউরিটি
✅ ইথিক্যাল হ্যাকিং
✅ লিনাক্স
✅ ফ্রিল্যান্সিং

📚 কোর্সটি সাজানো হয়েছে ৪টি বিভাগ এবং ১২১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে,
যা আপনাকে তৈরি করবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এবং একজন দক্ষ সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করার জন্য।

🎓 সার্টিফিকেটঃ  কোর্স শেষে আপনি পাবেন Bangladesh Institute Of Cyber Security দ্বারা ভেরিফাইড আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট, যা বিশ্বব্যাপী আইটির যে কোন কাজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

📥 ভর্তি প্রক্রিয়া (Step-by-Step):
1️⃣ প্রথমে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করুন।
🔗 রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://arenawebsecurity.net/admission-form
2️⃣ রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার ইমেইলে একটি আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
3️⃣ প্রাপ্ত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন এবং পেমেন্ট অপশন চালু হলে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
4️⃣ পেমেন্ট সম্পন্ন করার পর আমাদেরকে জানালে, আপনার ভর্তি নিশ্চিত করা হবে এবং আমরা বাকি সব প্রক্রিয়ায় সহায়তা করব।

📞 ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
🏢 Arena Web Security অফিস:
বি/১, মেইন রোড, বনশ্রী, ঢাকা।
📱 ২৪ ঘণ্টার সাপোর্ট হটলাইন (শুধুমাত্র কোর্স সংক্রান্ত):
01310333444, 01885841489

🚀 সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান?
🔐 এডভান্স ওয়েব সিকিউরিটি নিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্র্যাকটিক্যাল স্কিল অর্জন করতে?
তাহলে এই কোর্স হতে পারে আপনার জন্য সেরা শুরু!

🎯 কোর্সের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ

🔹 দেশসেরা সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ টিম দ্বারা প্রশিক্ষণ।
🔹 বাংলাদেশে একমাত্র কোর্স, যেখানে ৯০%–৯২% বিষয় হাতে-কলমে শেখানো হয়।
থিওরিটিক্যাল অংশ মাত্র ৮%–১০%, যা মূলত ভাইভা ও পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য রাখা হয়েছে।
🔹 যাদের প্রোগ্রামিং সম্পর্কে পূর্ব ধারণা নেই, তাদের জন্য রয়েছে ফ্রি বেসিক প্রোগ্রামিং ট্রেনিং।

📚 শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধাসমূহঃ

✅ কোর্স ফোরামে আজীবন এক্সেস
✅ প্রাইভেট টুলস ও ই-বুক
✅ ক্লাস সাপোর্ট ও ক্লাস রেকর্ডিং

🖥️ ক্লাস বৈশিষ্ট্যঃ

📌 কোর্স চলাকালে থাকবে দুইটি মিড-টার্ম পরীক্ষা, যাতে আপনি প্রস্তুতি নিতে পারেন ফাইনাল পরীক্ষার আগে।
📌 কোর্সের সাথেই থাকবে সাইবার সিকিউরিটির উপর প্রজেক্ট থিসিস করার সুযোগ।

📝 পরীক্ষা সম্পর্কিত তথ্যঃ

💻 কোর্সটি সম্পূর্ণ অনলাইনে পরিচালিত হলেও,
ফাইনাল পরীক্ষা সরাসরি একাডেমিতে এসে দিতে হবে।
🌍 শুধুমাত্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য রয়েছে অনলাইনে ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ। তবে সেক্ষেত্রে সার্টিফিকেট তার মনোনীত কেউ একাডেমি থেকে সংগ্রহ করে নিতে হবে।

🧑‍💻 কোর্স শেষে ইন্টার্নশিপ সুবিধাঃ

🚀 কোর্স শেষে থাকবে এক মাসের ইন্টার্নি প্রজেক্ট,
যেখানে আপনি আমাদের টিমের সঙ্গে কাজ করে শিখবেন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসভিত্তিক প্রজেক্টে কাজ করার অভিজ্ঞতা। যার ফলে ইন্টার্ন চলাকালীন সময়েই আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন।

✅ শর্তাবলী

🔸 প্রতিটি ক্লাস রেকর্ড করা হয়। অনুপস্থিত থাকলে ক্লাসের রেকর্ড ও অনুশীলন ক্লাসের মাধ্যমে পিছিয়ে পরা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় সুযোগ প্রদান।
🔸 তবে পূর্ব অনুমতি ছাড়া কেউ একটানা দুই সপ্তাহ ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে, তার স্টুডেন্টশিপ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে।
🔸 প্র্যাকটিস ও পরীক্ষায় উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
জরুরী কারণবশত অনুপস্থিত থাকলে হলে অবশ্যই আগে থেকে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের জানাতে হবে।

🎓 কোর্স সময়কাল

🗓️ ৩ মাস লাইভ ক্লাস + ১ মাস ইন্টার্নশিপ
🌐 ইন্টার্নি করতে পারবেন আমাদের একাডেমিতে সরাসরি অথবা অনলাইনে প্রজেক্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে।

📌 ক্লাস দিন ও সময়:
শুক্রবার এবং রবিবার, রাত ৯:৩০ - ১১:৩০ (বাংলাদেশ সময়)

📌 প্র্যাকটিস সেশন:
মঙ্গলবার, যে কোন ৩ ঘণ্টা আপনার সুবিধামতো আপনি নির্ধারণ করে প্র্যাকটিস করে নিতে পারবেন এবং আমাদের সাপোর্ট বিভাগ থেকে যে কোন সমস্যা সমাধান করে নিতে পারবেন।

🚀 ক্লাস শুরুঃ ২১ নভেম্বর, ২০২৬

💳 কোর্স ফিঃ ১৪,০০০ টাকা
৩ মাসের কোর্স এবং এক মাসের ইন্টার্নি, কোর্স ফি, ১৪ হাজার টাকা। কোর্স ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে পাচ্ছেন Interest free double instalment সুবিধা।

🔹 ভর্তি নিশ্চিতে প্রথমে সর্বনিন্ম ৫০% মানে ৭০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
🔹 বাকি ৭,০০০ টাকা ক্লাস শুরু হওয়ার ১৫ থেকে ২১ দিনের মধ্যে পরিশোধযোগ্য।

ট্রেইনার পরিচিতিঃ
Tanjim Al Fahim [ www.facebook.com/TanjimOfficial ]
Chief Executive Officer of "Arena Web Security"  The Hacker's Arena
Founder of "Cyber 71" We hack to protect Bangladesh

Expertise: Ethical Hacking, Cyber Security, Cloud Security, OSINT, Digital Forensics

Cyber Security Instructor: Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET), Ministry of ICT, Bangladesh Air Force & many more

Professional Background:
# Certified in Open Source Intelligence (C|OSINT) 
Bentley Training and Consultancy, United Kingdom
# Computer Hacking Forensics Investigator (CHFI) 
CertNexus,  United States of America (USA)
# CSA APAC Congress (Cloud Security) 
Cloud Security Alliance APAC, Malaysia

আমাদের প্রধান ট্রেইনার তানজিম আল ফাহিম স্যারের অধীনে ১৮ জনের একটি দেশসেরা সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ দল সাইবার সিকিউরিটি এবং ইথিক্যাল হ্যাকিং কোর্সের এই ব্যাচে দায়িত্ব পালন করবেন।

আগামী সপ্তাহে শুরু হওয়া এই ৪ মাসব্যাপী ইথিক্যাল হ্যাকিং কোর্সে থাকছে:

  • আমাদের কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপকে হ্যাকিং ল্যাব হিসেবে প্রস্তুত করবো।
  • পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিং এর মাধ্যমে পাসওয়ার্ড হ্যাক করার কৌশল।
  • বিভিন্ন ওয়েবসাইটে হ্যাকাররা কিভাবে হ্যাক করে তা হাতে কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবো।
  • এন্ড্রোয়েড মোবাইল ব্যাবহারকারীর লোকেশন ট্র্যাক করার উপায় এবং প্রতিহত করার কৌশল।
  • ক্রিপ্টোগ্রাফির এবং এনক্রিপশনের মাধ্যমে তথ্য প্রকাশ না করে যোগাযোগ রক্ষা করবো।
  • মোবাইল কি লগারের মাধ্যমে হ্যাকার কারো মোবাইল হ্যাক করে কি কি করছে তার মনিটরিং করে থাকে, তা প্রশিক্ষণ নেওয়া। কিভাবে আমরা হ্যাকারের হাত থেকে মোবাইলকে সিকিউরড রাখবো তা নিশ্চিত করা।
  • অনলাইন থেকে কারো তথ্য যেভাবে খুঁজে বের করবো এবং অনলাইনে ট্র্যাকিং করবো।
  • জনপ্রিয় ওয়েব এটাকিং মেথডে একটা ওয়েবসাইটের ডাটাবেজ হ্যাক করে ওয়েব সিস্টেমে প্রবেশ করা।
  • একটা ওয়েবসাইট ডাউন করে দেওয়া, এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কৌশল।
  • কি লগারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক এবং অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য চুরি করা।
  • র‍্যাট কিংবা ব্যাকডোরের মাধ্যমে হ্যাকার যেভাবে একটি কম্পিউটারে প্রবেশ করে মনিটরিং করে থাকে তার হাতে কলমে প্রশিক্ষণ।
  • গুগল ডর্ক, আমাদের নিজস্ব টুলস ব্যাবহার করে ওয়েবসাইটের এডমিন প্যানেল বাইপাস বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা।
  • আপনার নিজের জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা এবং সেটাকে সিকিউরিটি প্রদান করা।
  • ফেসবুক, জিমেইল সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের একাউন্ট যে পদ্ধতিতে হ্যাক হয় তা পর্যালোচনা করা, রিকভার করার কৌশল এবং সিকিউরিটি প্রদান বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা।
  • ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কিভাবে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করবো তার প্রশিক্ষণ।ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (Fiverr/Upwork) ও বাগ বাউন্টি প্লাটফর্মে কাজের কৌশল
  • ২১ দিনের লাইভ ইন্টার্ন প্রোগ্রাম (Freelancing & Reporting)

সাইবার সিকিউরিটি, ইথিক্যাল হ্যাকিং, লিনাক্স এবং ফ্রিল্যান্সিং—এই কোর্সটির সম্পূর্ণ আপডেটেড মডিউল (v7) এখন দেখুন নিচের লিংকে:

🔗 Updated Module (v7):
👉 ক্লিক করে মডিউল দেখুন


ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয়তা ও নিয়মাবলী:

  • একটি ডেস্কটপ/ল্যাপটপ (Windows/Linux যেকোনো OS)
  • ইন্টারনেট কানেকশন
  • ইচ্ছাশক্তি ও আইটি / সাইবার সিকিউরিটিতে কাজ করার আগ্রহ
📥 ভর্তি প্রক্রিয়া (Step-by-Step):
1️⃣ প্রথমে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করুন।
🔗 রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://arenawebsecurity.net/admission
2️⃣ রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার ইমেইলে একটি আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
3️⃣ প্রাপ্ত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন এবং পেমেন্ট অপশন চালু হলে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
4️⃣ পেমেন্ট সম্পন্ন করার পর আমাদেরকে জানালে, আপনার ভর্তি নিশ্চিত করা হবে এবং আমরা বাকি সব প্রক্রিয়ায় সহায়তা করব।

🌟 কোর্সে অংশগ্রহণের বিশেষ সুবিধাসমূহঃ

🎯 আমাদের লক্ষ্য:
বাংলাদেশে সাইবার সিকিউরিটি মার্কেটের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দক্ষ ফ্রিল্যান্সার ও সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ তৈরি করা।
এই উদ্দেশ্যেই আমাদের কোর্স সাজানো হয়েছে একেবারে বেসিক থেকে,
যাতে যে কেউ ধাপে ধাপে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে, সময় ও প্র্যাকটিসের মাধ্যমে।

🧑‍🏫 ট্রেইনার সাপোর্ট: আমাদের ট্রেইনাররা প্রতিটি বিষয় সহজভাবে হাতে-কলমে শেখান,
যাতে পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াও শিক্ষার্থীরা দক্ষ হয়ে উঠতে পারে।

✅ রেজিস্ট্রেশনে নিশ্চয়তা – রিফান্ড সুবিধা:
বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের রয়েছে "No Question Asked" রিফান্ড পলিসি।
যদি আপনি প্রথম ২টি ক্লাসে অংশ নেওয়ার পর মনে করেন যে, আপনার কাছে কঠিন মনে হচ্ছে কিংবা ভালো লাগছে না। আপনি রিফান্ড আবেদন করলে কোন প্রকার প্রশ্ন ছাড়াই আপনার ভর্তি বাতিল হয়ে রিফান্ড এপ্রোভ হয়ে যাবে।

📌 শর্ত: আপনাকে অবশ্যই প্রথম দুইটি ক্লাস যথাসময়ে এবং সম্পূর্ণ ক্লাসেই উপস্থিত থাকতে হবে।
আবেদনটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই করতে হবে।

🏆 আমাদের ১৩ বছরের সাফল্য গাঁথা: গত ১৩ বছরে এতো সফল শিক্ষার্থীর মাঝে একজন শিক্ষার্থীও রিফান্ডের আবেদন করেননি।
তবুও আমরা বিশ্বাস করি, রিফান্ডের নিশ্চয়তা পাওয়া আপনার অধিকার। আর তাই আমরা একমাত্র আইটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আপনাকে দিচ্ছি নিঃশর্ত ভর্তির নিশ্চয়তা।

Arena Web Security - সাইবার সিকিউরিটিতে সফলতার একমাত্র নির্ভরযোগ্য নাম।

🌐 সফলতা যেখান থেকে শুরু: বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র রেজিস্টার্ড সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান, ২০১২ সাল থেকে আমরা আস্থার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। 
সাইবার সিকিউরিটির ওপর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করা শতভাগ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আমাদের একাডেমির শিক্ষার্থী।

🌍 আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও মানদণ্ড: আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে শুরু করে চীনের হেনান পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি সহ বিশ্বের ৩৮টি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের কোর্সটিকে সাইবার সিকিউরিটির ইন্টার্নশিপ স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে নির্ধারণ করেছে।

🚀 বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের সফলতা: হাজারো শিক্ষার্থীর বিশ্বব্যাপী সাইবার সিকিউরিটিতে সফলতা এবং ৩ হাজার ৫ স্টার রিভিউ নিয়ে পরিচালনা করা একমাত্র কোর্স। 

👥 শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা জানুন: আমাদের Facebook পেজে সাবেক শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও রিভিউ দেখতে পারেন 
🔗 www.facebook.com/ArenaBangladesh

📞 ভর্তি সংক্রান্ত যোগাযোগ: যেকোনো প্রশ্ন বা তথ্য জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন আমাদের ২৪ ঘণ্টা হটলাইনে:
📱 01310333444,  01885841489 (শুধুমাত্র কোর্স সংক্রান্ত তথ্যের জন্য নির্ধারিত হটলাইন)

🏢 অফিস ঠিকানা:
B/1, Main Road, Banasree, Dhaka

🌐 অনলাইন প্ল্যাটফর্মসমূহ:

🔗 ওয়েবসাইট: www.arenawebsecurity.net
📘 Facebook Page: www.facebook.com/ArenaBangladesh
✉️ ইমেইল: info@arenawebsecurity.net

জানুন, যাচাই করুন, অভিজ্ঞদের মতামত নিন, সঠিক দিক নির্দেশনায় ক্যারিয়ার গড়ুন।

# হ্যাকার # ইথিক্যাল হ্যাক # এথিক্যাল হ্যাক # ফ্রিল্যান্সিং # সাইবার সিকিউরিটি  # সাইবার নিরাপত্তা  # সাইবার ৭১ # এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি # বাংলাদেশ ইথিক্যাল হ্

ওয়াই ফাই এর অভাবে স্লো ইন্টারনেট চালাতে হয় আমাদের অনেকের  ই। আবার নিজের ওয়াই ফাই এর ইন্টারনেট কানেকশন চলে গেলে বসে থাকতে হয়। তখন যদি অন্য কারো ওয়াইফাই হ্যাক করে চালানো যেতো তাহলে কতোই না ভালো হতো। 

এবার আপনি নিজেও হ্যাক করে নিতে পারবেন ওয়াই ফাই। চলুন, শিখে নেই কিছু সহজ উপায় যার মাধ্যমে আপনি ওয়াই ফাই হ্যাক করে নিতে পারবেন।

১। সব চাইতে সহজ এবং কার্যকরী উপায়ে মোবাইল থেকে ওয়াই ফাই হ্যাক করার পদ্ধতি হচ্ছে SWIFT WIFI এপস। চলুন, আলোচনা করি SWIFT WIFI এপস নিয়ে বিস্তারিত..




যা যা দরকার (উপকরণ)

সুবিধাঃ এই এপসটি চালানোর জন্য ফোন রুট করার প্রয়োজন হয় না।
# এপস রিভিউ ৪.২ [ ওয়াই ফাই হ্যাকিং এর জন্য সব চাইতে বিশ্বস্ত এপস ]

অসুবিধাঃ এর মাধ্যমে আপনি সব ওয়াই ফাই হ্যাক করে নিতে পারবেন না। শুধুমাত্র আপনার নেটওয়ার্কের মধ্যে যেই ওয়াই ফাই গুলো থাকবে আপনি শুধু সেগুলোই হ্যাক করতে পারবেন।


প্লে-ষ্টোর থেকে  অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন। লিংকঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=mobi.wifi.toolbox



এরপর এপসটি ওপেন করলে (Secured with WPA2 WPS available) লেখা ওয়াইফাই কোন ডিভাইসে ক্লিক করলে পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকলে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই কানেক্ট হয়ে যাবে। 
উল্লেখ্য, সিগনালে যেই যেই এপস গুলো দেওয়া থাকবে সব গুলোই আপনি চেষ্টা করে দেখবেন। ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপনঃ ডিজিটালের এই যুগে পুরনো বছরের মতো এখনো পিছিয়ে আছেন না তো? আয় করুন ইথিক্যাল হ্যাকিং এর মাধ্যমে। বর্তমান বিশ্বে সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় থাকা সত্বেও অভাব রয়েছে এর বিশেষজ্ঞদের। তাই, সাইবার সিকিউরিটির উপর অনলাইনে সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রবেশ করুন এই সম্ভাবনাময়ী জগতে। হটলাইন- 01779224640, 01885841489

২য় পদ্ধতিঃ WIFIMAP এই এপসের মাধ্যমেও আপনি ওয়াই ফাই হ্যাক করে নিতে পারবেন। 

৩য় পদ্ধতিঃ কোন ওয়াইফাই এর মধ্যে কানেক্ট করা ডিভাইসের মধ্যে থেকে পাসওয়ার্ড চুরি করেও আপনি হ্যাক করে নিতে পারবেন ওয়াইফাই। 

এর জন্য প্রথমেই ডাউনলোড করে নিতে হবে  Es File Explorer এপসটি।
এবার ওপেন করুন Swipe left 

 Local - > Device - > System -> ETC Folder - > 

 Wifi - > wpa_supplicant.conf - > ES text viewer. -> এবার এখানেই ওয়াই ফাই এর সকল পাসওয়ার্ড গুলো পেয়ে যাবেন। 

আশা করি উক্ত উপায় গুলোর মাধ্যমে সকল ওয়াই ফাই হ্যাক করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন। তবে পর্যায়ক্রমে কালি লিনাক্সের কিছু কার্যকরী টুলস সহ আরো বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো পরবর্তী পোষ্টে। ই বাংলা ডট টেক এর সাথেই থাকুন। 

বিজ্ঞাপনঃ ডিজিটালের এই যুগে পুরনো বছরের মতো এখনো পিছিয়ে আছেন না তো? আয় করুন ইথিক্যাল হ্যাকিং এর মাধ্যমে। বর্তমান বিশ্বে সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় থাকা সত্বেও অভাব রয়েছে এর বিশেষজ্ঞদের। তাই, সাইবার সিকিউরিটির উপর অনলাইনে সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রবেশ করুন এই সম্ভাবনাময়ী জগতে। হটলাইন- 01779224640, 01885841489

ফেসবুকের মেসেজে ছড়িয়ে যাচ্ছে ক্রিপ্টোম্যালওয়ার, হ্যাক হচ্ছে আইডি এবং ডিভাইস!

ফেসবুকে ভিডিও ফাইলের আকারে মেসেজের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে ক্রিপ্টো ম্যালওয়ার। পরিচিত কিংবা অপরিচিত কোন ব্যাক্তির আইডি থেকে পাঠানো এই ফালটি ওপেন করলেই হ্যাক হবে আপনার প্রিয় আইডি। ক্ষতি সাধন হবে আপনার প্রিয় ডিভাইসটির।

এখন পর্যন্ত এরকম দুই ধরনের ম্যালওয়্যার ফাইল নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সনাক্ত করতে পেরেছে , ফাইল দুইটি ভিডিও ফাইল আকারে জিপ করে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে । জিপ ফাইলটি খোলার পর সেখানে ভিডিও ফাইলের আইকন দেখা যায় তবে সেখানে এক্সটেনশন হিসেবে .exe থাকে । মাত্র ৫০০ থেকে ৯০০ কিলোবাইটের মধ্যের এই ফাইলটি শুধুমাত্র আপনার উইন্ডোজ পিসি তে ক্ষতিসাধন করতে পারে ।
তবে অন্য ফাইলটির মাধ্যমে আপনার আইডির বেশ কয়েকটি এক্সেস পেয়ে যাবে হ্যাকাররা, যার ফলে তাদের তৈরি কৃত এই স্ক্রিপটটি আপনার অজান্তেই আপনার পরিচিত সকলকে মেসেজ পাঠিয়ে ফাঁদে ফেলে দিবে।

দুইটি ফাইলের পৃথক বিশ্লেষণঃ
Filename: Video.71656613.mp4.exe
Size: 504KiB (515584 bytes)
Type: PE32 executable (GUI) Intel 80386, for MS Windows, UPX compressed
MD5SUM: 77b99d4cda37ea5d52780cab2c423204
SHA1: 172965c4b9e5d66169b473385d058acc5213d696
SHA256:94d92f5ac3bbda7f6aa545a2888a74eac2644f71ed8319339c9ee651ab82e28e
SSDEEP:TozGdX0M4ornOmZIzfMwHHQmRROXKnpfXtiQ/:T4GHnhIzOan6Q
Compiler/Packer: UPX v1.25 (Delphi) Stub Unpacked
Size: 969KiB (992256 bytes)
Type: PE32 executable (GUI) Intel 80386, for MS Windows
MD5SUM: d63582630abb6d84fab48bcd90ff38f8
SHA1: df1c1eb09408b51d7049f70532cf83927afd5ecc
SHA256: 3771dad8c38def8c8ba903a0e7b203cf05efd99e27add3dea77b9d702a84171f
SSDEEP: bCdOy3vVrKxR5CXbNjAOxK/j2n+4YG/6c1mFFja3mXgcjfJilgsUFccfXwIiQ3:bCdxte/80jYLT3U1jfH5cfr4


জিপ ফাইলটি থেকে বিশ্লেষন করলে আমরা এখানে একটি exe ফাইল পাবো যেখানে অবশ্যই অনেক তথ্যাবলী পাওয়া যেতে পারে।
এটি বিশ্লেষন করলে শুরুতেই এর মধ্যে ম্যালওয়ার এর মতো সন্দেহজনক আচরণ উপলব্ধি করা যায়।

এটি সাধারনত Taskill.exe ফাইল ব্যাবহার করে scanner এবং terminates এর সাহায্য ফাকি দেওয়ার উপায় সনাক্ত করে ভিক্টিমের কম্পিউটার এ উপস্থিতি কার্যকর করে।

যদি আমরা এই প্রক্রিয়াটি চেক করি তাহলে একটি miner.exe খুজে পাবো আর লোকেশন খুজতে গেলে দেখবো এটি updater.exe এর আদেশে PID. 3032 এর সাথে কাজ করছে। আরো সনাক্ত হয়েছে যে, এটি প্রটোকলেও প্রবেশ করতে সক্ষম হয় “stratum+tcp://” (Indicator: “stratum+tcp://”; File: “network.pcap”) সুতরাং টেকনিক্যাল ভাবে এই ধরনের ফাইল গুলোই হল cryptomalware।। এটি মূলত ভিক্টিমের মেশিন ব্যাবহার করে এমনকি এটি ভিক্টিমের ব্রাউজার এর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধ্বংস করতে সক্ষম হয় এমনকি keystrokes ও রেকর্ড করতে সক্ষম হয়। এই ধরনের maleware এর কার্যক্রম একটু আলাদা। এই ধরনের cryptomalware সাধারণত দুইটি. exe ফাইল ডাউনলোড করে ভিক্টিমের ডিভাইসে প্রবেশ করতে।

২য় ফাইলটির বিশ্লেষনঃ


বিশ্লেষনে বের হয়ে আসে এই ভাইরাসটির পিছনে প্রধান চক্রের পরিচয়।


এই সম্পর্কে "সাইবার ৭১" এর প্রতিষ্ঠাতা এবং এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির পরিচালক "তানজিম আল ফাহিম" জানিয়েছেন
এই ম্যালওয়্যার এক্সিকিউট করার ফলে ভিকটিমের কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ন ফিচারগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু ফিচার ইন্সটল হয়ে যায় । এটি ইউজার এজেন্ট মাইনার ব্যাবহার করে কম্পিউটার ডিভাইস একাএকা অফ করে দিতে পারে এবং the blue screen of death (BSOD) এনেবল করে দেয়। এবং অপ্রয়োজনীয় ফিচার চালুরেখে ডিভাইস এর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
ব্রাউজার থেকে গুরুত্বপূর্ন তথ্য নেয়া ও ডিভাইসে ক্রিপ্টোমাইনিং চালুকরে দেয়ার জন্য এটিকে ক্রিপ্টোম্যালওয়্যার বলা হচ্ছে । এই ম্যালওয়্যারের সাথে জড়িত ব্যাক্তির ইমেইল সনাক্ত করা হয়েছে ।
এই ক্রিপ্টোম্যালওয়্যার নিয়ে প্রধান  গবেষনা এবং তথ্য দিয়েছে সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক সংস্থা CSP ।
আমাদের দেশেও ইতিমধ্যে ছড়াতে শুরু করেছে এই ক্রিপ্টো ম্যালওয়ারটি , সতর্কতার জন্য ফেসবুকে মেসেজ কিংবা গ্রুপে পাওয়া লিংক এর এক্সটেনশন গুলো ভালমত খেয়াল করুন , অপ্রয়োজনীয় কোন লিংক বা অপরিচিত কোন লিংক এ ক্লিক করবেন না।

রিপোর্ট তৈরিতে সহায়তাঃ Anika Tabassum, Muktadir Rahman [এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি]


এইচপি ল্যাপটের মাঝেই ভাইরাস!!

সুইজারল্যান্ডের নিরাপত্তা গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মডজিরো এইচপির কয়েকটি মডেলের নতুন ল্যাপটপ ব্যবহারে সতর্ক করেছেন। তারা বলছেন, এইচপির কয়েকটি মডেলের নতুন ল্যাপটপে ‘কিলগার’ ড্রাইভার ইনস্টল করা থাকে। ফলে নতুন এইচপি ল্যাপটপে যা`ই ব্যবহার করা হয় না কেন তা রেকর্ড হয়ে থাকে।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের নিরাপত্তা গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মডজিরো এ তথ্য জানিয়েছে। কয়েকটি মডেলের এইচপি ল্যাপটপে একটি অডিও ড্রাইভার ইনস্টল রয়েছে। এই ড্রাইভারে কি-লগারের মতো ফিচার থাকে। এটি প্রতিটি কিস্ট্রোক গোপনে রেকর্ড করে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভে আনএনক্রিপটেড ফাইলে রেকর্ড করে রাখে। এই ড্রাইভারটি তৈরি করেছে অডিও চিপ নির্মাতা কনটেক্সট্যান্ট। এইচপি এলিটবুক, প্রোবুক, জেডবুক মডেলসহ প্রায় দুই ডজন ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটে এই ড্রাইভার লোড করা থাকে। হার্ডড্রাইভে সংরক্ষিত কিস্ট্রোক তথ্যের মধ্যে আছে বিভিন্ন পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ, ব্যক্তিগত চ্যাট বার্তা ও বিভিন্ন ওয়েবপেজের তথ্য। এইচপি এলিটবুক, প্রোবুক, জেডবুক মডেলসহ প্রায় দুই ডজন ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটে এই ড্রাইভার লোড করা থাকে বলেও জানিয়েছে তারা। হার্ডড্রাইভে সংরক্ষিত কিস্ট্রোক তথ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ, ব্যক্তিগত চ্যাট বার্তা ও বিভিন্ন ওয়েবপেজের তথ্য।
Keylogger

যদিও কিলগারটি ডিফল্ট ভাবেই নিষ্ক্রিয় থাকে তবুও হ্যাকার চাইলে ওপেন সোর্স টুলসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি ভ্যালুর মাধ্যমে ইউজার একাউন্ট কন্ট্রোল বাইপাস করে একটিভ করে নিতে পারবে। 
রেজিস্ট্রি কি এর তথ্যাবলী -
  • HKLM\Software\Synaptics\%ProductName%
  • HKLM\Software\Synaptics\%ProductName%\Default

তবে এইচপি কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে বলছে, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত। এ ছাড়া কোনো গ্রাহকের তথ্যে ঢোকার সুযোগও তাদের নেই।
কিন্তু তারা অস্বীকার ও করতে পারে নি। এক বিবৃতিতে এইচপি আরও বলছে, এইচপির সরবরাহকারী সহযোগী পণ্য উন্মোচন করার আগে অডিও ফাংশন পরীক্ষার জন্য সফটওয়্যার তৈরি করেছিল। কিন্তু এটা বাজারে ছাড়ার পর পণ্যের সঙ্গে যুক্ত করা ঠিক হয়নি।
কিন্তু এইচপি ল্যাপটপ ব্যাবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ হচ্ছে, এইচপি ল্যাপটপে ভাইরাস নতুন কিছু নয়। এই বছরের মে মাসে আরো একটি কলগার এইচপি অডিও ড্রাইভার পাওয়া গিয়েছে যে নিঃশব্দে তার ব্যবহারকারীদের কি বোর্ডের টাইপিং গুলো সংগ্রহ করে ইমেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের সকল তথ্য হাতিয়ে নিতো বলেও অভিযোগ আছে।